এই মুহূতে বড়ো খবর লক্ষ্মী ভান্ডার গ্রাম বাংলা মহিলাদের।

 এই মুহূতে বড়ো খবর । এবারে দুয়ারে মিলবে বিশেষ সুবিধা



এই মহুর্তে গ্রাম বাংলার মহিলাদের জন্য বড়ো খবর । আধার-স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ছাড়াই লক্ষ্মী ভান্ডার দেবে সব মহিলাদের।




গত ১ নভেম্বর থেকে রাজ্য জুড়ে দুয়ারে সরকার শিবির শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। এই শিবিরে অনেক মহিলারই আসছেন যাঁদের আধারকার্ড বা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেই। সে কারণে তাঁদের আবেদন নেওয়া হচ্ছিল না বলে অভিযোগ।

নবান্নে অভিযোগ আসছিল আধারকার্ড বা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড না থাকার জন্য ফিরে যেতে হচ্ছিল লক্ষীর ভাণ্ডারে আবেদন করতে আসা মহিলাদের। এ বার তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। দুয়ারে সরকারে এই ধরনের কোনও আবেদন এলে তাঁদের আবেদনকে গ্রাহ্য করতে হবে বলে মুখ্যসচিব নির্দেশ দিয়েছেন।



গত ১ নভেম্বর থেকে রাজ্য জুড়ে দুয়ারে সরকার শিবির শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। এই শিবিরে অনেক মহিলারই আসছেন যাঁদের আধারকার্ড বা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেই। সে কারণে তাঁদের আবেদন নেওয়া হচ্ছিল না বলে অভিযোগ। এই অভিযোগের খবর আসে নবান্নেও। মুখ্যসচিব তৎক্ষনাৎ নির্দেশ দেন এর জন্য লক্ষীর ভাণ্ডারের আবেদন বাতিল করা যাবে না। নবান্ন সূত্রের খবর, মুখ্যসচিব বলেন, আধার নম্বর না থাকা কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বাতিলের কারণ হতে পারে না। তাই জেলাশাসককে নির্দেশ দিয়ে মুখ্যসচিব বলেছেন, অবিলম্বে এই ধরনের সমস্ত আবেদন গ্রাহ্য করতে হবে।


আাগামী যে কদিন দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প চলবে ততদিন যেন এই ধরনের অভিযোগ না আসে তার জন্য জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। এবার দুয়ারে সরকার ক্যাম্প থেকে মোট ২৭ ধরনের প্রকল্পের সুবিধা মিলবে। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে চলবে এই ক্যাম্প।



‘১০ লক্ষ চাকরি দেব’, রোজগার মেলায় ঘোষণা মোদীর,

 


‘১০ লক্ষ চাকরি দেব’, রোজগার মেলায় ঘোষণা মোদীর, 


বিলি করলেন ৭৫ হাজার নিয়োগপত্র

শনিবার ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে রোজগার মেলা কর্মসূচি থেকে ৭৫,০০০ জন নির্বাচিত প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্র


প্রতিশ্রুতি মেনে দীপাবলির আগেই চাকরি দেওয়ার ‘রোজগার মেলা’ কর্মসূচি শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে ৭৫,০০০ জন নির্বাচিত প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন তিনি। ওই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘কোভিড পরিস্থিতি এবং তার পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নানা সমস্যার জেরে অর্থনীতিতে আঘাত এসেছে। সেই আঘাত থেকে দেশের যুবসমাজকে রক্ষা করতেই এই উদ্যোগ।’’





শনিবার মোদী যাঁদের হাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের ৩৮টি মন্ত্রকের গ্রুপ এ এবং বি (গেজেটেড), গ্রুপ বি (নন-গেজেটেড) এবং গ্রুপ সি-র বিভিন্ন পদে যোগ দেবেন। অতিমারি এবং তাঁর পরবর্তী অনিশ্চতার কারণে বেশ কয়েকটি দেশে, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে শনিবার জানান প্রধানমন্ত্রী। গত এক শতাব্দী ধরে কর্মসং‌স্থানের সমস্যা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘১০০ বছরের এই সমস্যার ১০০ দিনের মধ্যে সমাধান করা সম্ভব নয়।’’


যে পদগুলির জন্য নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর, কনস্টেবল, এলডিসি, স্টেনোগ্রাফার, পিএ, আয়কর ইন্সপেক্টর, এমটিএস এবং অন্যান্য। এই পদগুলিতে সংশ্লিষ্ট দফতর বা মন্ত্রকগুলির দ্বারা অথবা ইউপিএসসি, এসএসসি ও রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের দ্বারা নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। প্রধানমন্ত্রী শনিবার জানান, কোভিড পর্বে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের (এমএসএমই) সহায়তায় ৩ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে কেন্দ্র। ওই ক্ষেত্রে কর্মরত অন্তত দেড় কোটি মানুষ তাতে উপকৃত হয়েছেন।


জুন মাসে কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছিল, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে দেড় বছরের মধ্যে ১০ লক্ষ নিয়োগ করার লক্ষ্য নিয়েছেন মোদী। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতেই এই ‘রোজগার মেলা’র উদ্যোগ। কিন্তু হিমাচল প্রদেশে ভোট ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। এখনও ঘোষণা না হলেও চলতি বছরে মোদী রাজ্য গুজরাতেও বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় এলে বছরে ২ কোটি চাকরির বন্দোবস্ত করবেন বলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদী। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি বলে কর্মসংস্থান নিয়ে মোদী সরকারকে একাধিক বার নিশানা করেছে কংগ্রেস, তৃণমূল, বাম-সহ বিরোধী শিবির। শনিবার কংগ্রেসের তরফে রোজগার মেলাকে ‘ভোটের আগে নাটক’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

লক্ষী ভান্ডার বড় udate

 পশ্চিমবঙ্গ সরকার পরিবারের মহিলা প্রধানকে আর্থিক সহায়তা ব্যবস্থা প্রদানের জন্য একটি নতুন প্রকল্প চালু করেছে। এই কল্যাণমূলক প্রকল্পটি "পশ্চিমবঙ্গ লক্ষ্মী ভান্ডার স্কিম 2022" বা লক্ষ্মী ভাণ্ডার যোজনা নামে পরিচিত। এই প্রকল্পে, সেই সমস্ত মহিলা পরিবারকে আয় সহায়তা প্রদান করা হবে যাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য আয়ের কোনো উৎস নেই। আজ, আমরা এই নিবন্ধটির মাধ্যমে আপনার সাথে এই সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য, স্কিম যেমন মানদণ্ড, সুবিধা এবং সমস্ত কিছু শেয়ার করতে চাই।





সাধারণ জাতি বিভাগের পরিবারগুলিকে তাদের আয় সহায়তার জন্য প্রতি মাসে প্রায় 500 টাকা দেওয়া হয়ে থাকে তারা এবারে পেতে চলেছে 750 টাকা অথাৎ 250 টাকা বাড়ানো হলো। এবং SC এবং ST বর্ণ বিভাগের মহিলা প্রধানদের তাদের ব্যক্তিগত আয় সহায়তার জন্য প্রতি মাসে প্রায় 1000 টাকা দেওয়া হয়ে থাকে তারা পাবেন এবার থেকে 1250 টাকা অথাৎ 250 টাকা বাড়ানো হলো।


একটি পরিবারের খরচের জন্য মাসিক গড় খরচ হল । 5249. পশ্চিমবঙ্গ সরকার বার্ষিক খরচ বহন করবে Rs. এই প্রকল্পের জন্য 11,000 কোটি টাকা।


এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রদত্ত আর্থিক সহায়তার সাহায্যে, পরিবারের মাসিক ব্যয়ের 10% থেকে 20% কভার করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় যে পরিমাণ অর্থ প্রদান করা হয় তা সরাসরি পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে।


পশ্চিমবঙ্গ লক্ষ্মী ভান্ডার স্কিম 2022-এর জন্য যোগ্যতার মানদণ্ড


সাধারণ শ্রেণীর জন্য যাদের 2 হেক্টরের বেশি জমি রয়েছে তারা এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন না।


আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক হতে হবে।


করদাতা পরিবার লক্ষ্মী ভান্ডার স্কিম পশ্চিমবঙ্গের জন্য আবেদন করার যোগ্য নয়।


SC/ST ক্যাটাগরির সমস্ত পরিবার এর জন্য নিবন্ধন করতে পারে।

ভারত সরকার নতুন আইন

 ভারত সরকার নতুন আইন


বহুদিন ধরেই নয়া শ্রম আইন বা লেবার কোড নিয়ে জল্পনা চলছে। এই লেবার কোডের শুধু একটি নয় একাধিক নতুনত্ব বিষয় রয়েছে, যা আখেরে লাভ দেবে সাধারণ কর্মীদেরকে। সংসদে বাদল অধিবেশন চলাকালীন কেন্দ্রীয় শ্রম প্রতিমন্ত্রী রামেশ্বর তেলি এই নয়া লেবার কোডের প্রসঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন। গত ১লা জুলাই থেকে গোটা দেশে এই লেবার কোড চালুর পরিকল্পনা করেছিল কেন্দ্র। কিন্তু একাধিক বিভ্রান্তির জেরে তা আর হয়ে ওঠেনি। এই নয়া শ্রম আইন কবে থেকে চালু হবে, তার জন্য সকলেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।


কেন্দ্রীয় শ্রম প্রতিমন্ত্রী রামেশ্বর তেলি জানিয়েছেন, কবে থেকে এই নয়া শ্রম আইন দেশজুড়ে লাগু করা হবে সে বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে যত দ্রুত সম্ভব এই শ্রম কোড লাগু করার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। এখনও কয়েকটি রাজ্য শ্রম কোড লাগু করা নিয়ে নিজেদের মতামত জানায়নি। সেগুলি পাওয়া গেলেই নয়া শ্রম আইন দ্রুত কার্যকর করা হবে। 


শ্রম মন্ত্রকের একটি সূত্রে দাবি, ২০২২ সালের ১লা অক্টোবর থেকেই ধাপে ধাপে এই শ্রম আইনের বিভিন্ন কোডগুলি চালু করার কথা ভাবছে কেন্দ্র।



নয়া লেবার কোডে কী কী রয়েছে?


নয়া লেবার কোডের সুবিধা ও অসুবিধা দুইই রয়েছে। নতুন নিয়মে কর্মীরা সপ্তাহে তিন দিন ছুটি নিতে পারবে। তবে ৩ দিন ছুটি থাকলেও সাপ্তাহিক কাজের সময়ে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা কাজ করতে হবে কর্মীদের। কোনও কর্মী প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা করে সপ্তাহে চারদিন কাজ করে তিন দিন ছুটি নিতে পারেন। পাশাপাশি তিন মাসে ওভার টাইম ৫০ ঘণ্টা থেকে বৃদ্ধি করে ১২৫ ঘণ্টা করা হয়েছে।


এছাড়া পরিবর্তন এসেছে বেতনের গঠনেও। জানানো হয়েছে কর্মীর Basic Salary হবে মোট বেতনের ৫০ শতাংশ। এর অর্থ হল কর্মীর EPF-অবদানের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। উলটো দিকে Take Home Salary-র পরিমাণ কমবে।



Whatsapp মাধ্যমে All Document Download

 হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কীভাবে আধার, প্যান ডাউনলোড করবেন:


MyGov হেল্পডেস্ক চ্যাটবট ব্যবহার করে, আপনি সহজে কয়েকটি সহজ ধাপে আপনার যেকোনো অফিসিয়াল নথি ডাউনলোড এবং অ্যাক্সেস করতে পারবেন। নথিগুলির মধ্যে রয়েছে আধার কার্ড, প্যান, ড্রাইভিং লাইসেন্স, মার্কশিট এবং আরও অনেক কিছু। সুতরাং, যদি আপনি এখনও ওয়েবসাইট বা অ্যাপের মাধ্যমে DigiLocker চালাতে সমস্যায় পড়েন, তাহলে WhatsApp চ্যাটবট পরিষেবা আপনার জন্য। আধার কার্ড থেকে প্যান এমনকি মার্কশিট পর্যন্ত, হোয়াটসঅ্যাপে আপনার জন্য যে কোনও সময় সবকিছু উপলব্ধ থাকবে।



ধাপ 1: আপনার ফোনে MyGov হেল্পডেস্ক যোগাযোগ নম্বর হিসাবে +91-9013151515 সংরক্ষণ করুন ।

ধাপ 2: এখন WhatsApp খুলুন এবং আপনার WhatsApp পরিচিতি তালিকা রিফ্রেশ করুন।

ধাপ 3: MyGov Helpdesk Chatbot অনুসন্ধান করুন এবং খুলুন।

ধাপ 4: এখন MyGov হেল্পডেস্ক চ্যাটে 'নমস্তে' বা 'হাই' টাইপ করুন।

ধাপ 5: চ্যাটবট আপনাকে ডিজিলকার বা কোভিন পরিষেবার মধ্যে বেছে নিতে বলবে। এখানে 'DigiLocker Services ' নির্বাচন করুন।

ধাপ 6: এখন চ্যাটবট জিজ্ঞাসা করবে আপনার একটি ডিজিলকার অ্যাকাউন্ট আছে কিনা, তাই এখানে 'হ্যাঁ' এ আলতো চাপুন। আপনার যদি একটি না থাকে তবে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা ডিজিলকার অ্যাপে গিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।

ধাপ 7: চ্যাটবট এখন আপনার DigiLocker অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক এবং প্রমাণীকরণের জন্য আপনার 12-সংখ্যার আধার নম্বর চাইবে। আপনার আধার নম্বর লিখুন এবং পাঠান।

ধাপ 8: আপনি আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি OTP পাবেন। চ্যাটবটে প্রবেশ করুন।

ধাপ 9: চ্যাটবট তালিকা আপনাকে আপনার DigiLocker অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত সমস্ত নথির একটি তালিকা দেখাবে।

ধাপ 10: আপনার নথিটি ডাউনলোডের জন্য তালিকাভুক্ত নম্বরটি টাইপ করুন এবং এটি পাঠান।




Pradhan Mantri Kushal Vikas Yojona/Rail free traning course

 Indian Railways Techinal Training: ফ্রি-তে টেকনিক্যাল ট্রেনিং দিচ্ছে রেল, চাকরির সুযোগ, কীভাবে আবেদন?


Indian Railways Free Techinal Training: নিখরচায় প্রযুক্তি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ভারতীয় রেল। ট্রেনিং শেষে পাবেন সার্টিফিকেট। কীভাবে কোথায় আবেদন করতে হবে?


শুরু হয়েছে রেল কৌশল বিকাশ যোজনা।

২০২১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বরে সূচনা।

দশম শ্রেণি পাশ করলেই এই ট্রেনিং নেওয়া যাবে।

যাত্রী ও পণ্য পরিবহণ ছাড়াও হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ভারতীয় রেল। প্রশিক্ষণ পর চাকরির সম্ভাবনা বাড়ে। কর্মহীন যুবকদের রোজগারের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি রয়েছে রেল। শুরু হয়েছে রেল কৌশল বিকাশ যোজনা (Rail Kaushal Vikas Yojana)। রেলের প্রতিটি জোনে চলে কর্মশালা। প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর শংসাপত্র দেওয়া হয়। 


২০২১ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে রেল কৌশল বিকাশ যোজনা। স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপনে প্রধানমন্ত্রীর অমৃত মহোৎসবের অঙ্গ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনার অন্তর্গত রেলের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। 


রেল কৌশল বিকাশ যোজনার মূল উদ্দেশ্য বিভিন্ন বিষয়ে হাতেকলমে যুবক-যুবতীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। এতে তাঁদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বাড়বে। রেলের ১৭টি জোন এবং ৭টি কারখানায় ৭৫টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। ১৮ কাজের দিনে ১০০ ঘণ্টা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৫০ হাজার যুবক-যুবতীকে ট্রেনিং দেওয়ার লক্ষ্য রেলের।


দশম শ্রেণি পাশ করলেই এই ট্রেনিং নেওয়া যাবে। বয়স থাকতে হবে ১৮ থেকে ৩৫-র মধ্যে। বিনামূল্যে ট্রেনিং দেবে রেল। রেলের বিজ্ঞাপন দেখে অনলাইনে আবেদন করলে প্রশিক্ষণের সুযোগ মিলবে। প্রশিক্ষণের শেষে পাবেন শংসাপত্র। 

      

Detail Youtube video:https://youtu.be/ZlbFot0kwxc

পূর্ব মধ্য রেলের জনসংযোগ আধিকারিক বীরেন্দ্র কুমার জানান, রেল কৌশল বিকাশ যোজনায় প্রশিক্ষণ নিতে চাইলে railkvy.indianrailways.gov.in ওয়েবসাইট দেখুন। সেখানে বিশদে সব জানতে পারবেন। অনলাইনে আবেদনের সুযোগও রয়েছে। ন্যূনতম দশম শ্রেণি পাশ হতে হবে আগ্রহী প্রার্থীদের।   


রেল কৌশল বিকাশ যোজনার অন্তর্গত ৭ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত ৯২ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্তকে শংসাপত্র দিয়েছে পূর্ব মধ্য রেলওয়ে (eastern Central railway)। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ  প্রশিক্ষকেন্দ্রে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১৮ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্তকে দেওয়া হয়েছে শংসাপত্র। হরনৌতে রেলের কামরা সারানো ও ওয়েল্ডিংয়ের ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে ২০জনকে। সেই সঙ্গে সমস্তিপুরের রেল কারখানায় প্রশিক্ষণ পেয়েছেন ১৫ জন। দানাপুরে ১৯ জনকে দেওয়া হয়েছে সার্টিফিকেট। সব প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরাই জানিয়েছেন, দারুণ উপকার হয়েছে। আগামী দিনে চাকরি পেতে সুবিধা হবে।       



প্রাইমারি পরীক্ষা ও ইন্টারভিউ জানানো হলো

 


অবশেষে প্রকাশিত হল বহু প্রতীক্ষিত দু’টি বিজ্ঞপ্তি। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের টেট-এ বসা এবং ইতিমধ্যেই উত্তীর্ণদের ইন্টারভিউয়ে বসার বিজ্ঞপ্তি বৃহস্পতিবার রাতে প্রকাশিত হয়েছে। পুজোর আগে এই জোড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল সরকার তথা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। প্রার্থীদের মুখে স্বভাবতই স্বস্তির হাসি ফুটবে এই খবরে। পুজোটা আরও বেশি আনন্দমুখর হবে। প্রসঙ্গত, ১১ ডিসেম্বর টেট নেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছে পর্ষদ।

১৪ অক্টোবর টেট-এ বসার অনলাইন ফর্ম জমা নেওয়ার তথ্য প্রকাশ করবে পর্ষদ। জেনারেল ক্যাটিগরির প্রার্থীদের আবেদন করতে ১৫০ টাকা দিতে হবে। সংরক্ষিত শ্রেণিভুক্তদের ক্ষেত্র বিশেষে তা ১০০ টাকা এবং ৫০ টাকা। শুধুমাত্র অনলাইনেই সেই টাকা জমা দেওয়া যাবে। উচ্চ মাধ্যমিকে ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর এবং দু’বছরের ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এডুকেশন বা ডিএলএড কোর্স উত্তীর্ণ হলে টেট-এ বসা যাবে। এছাড়া, কেন্দ্রীয় নিয়ামক সংস্থা এনসিটিই এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী এর বিকল্প শিক্ষাগত যোগ্যতাও রয়েছে। টেট-এ উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, টেট-এ উত্তীর্ণ হওয়া মানেই শিক্ষকতার চাকরির অধিকার অর্জন নয়। সেটি চাকরি পাওয়ার প্রাথমিক মাপকাঠি মাত্র।


১১ হাজারের বেশি শূন্যপদের কথা আগেই ঘোষণা করেছে পর্ষদ। তাতেও নিয়োগ হবে। ইতিমধ্যেই যাঁরা টেট-এ উত্তীর্ণ এবং অবশ্যই ডিএলএড পাশ করেছেন, তাঁরা ইন্টারভিউয়ে বসার জন্য আবেদন জানাতে পারবেন। তার জন্য ২০০ টাকা ফি ধার্য করা হয়েছে। ২১ অক্টোবর থেকে www.wbbpe.org এবং http://wbbprimaryeducation.org ওয়েবসাইট দু’টিতে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখার পর প্রার্থীদের ইন্টারভিউয়ে ডাকা হবে। তবে, বহু প্রার্থী আবেদন জানিয়েছিলেন, সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৪০ বছর থেকে বাড়ানো হোক। কারণ, তাঁরা যখন টেট উত্তীর্ণ হয়েছিলেন, তখন তাঁদের বয়স অনেক কম ছিল। সেই দাবি অবশ্য এখনও মানেনি সরকার। প্রসঙ্গত, চাকরি পাওয়ার পর এই শিক্ষকদের বেসিক পে হবে ২৮ হাজার ৯০০ টাকা। এর সঙ্গে ডিএ, এইচআরএ এবং অন্যান্য অ্যালাওয়েন্স যোগ হবে।