রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী আরো নয়া দুটি প্রকল্প চালু করলেন৷

 রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী আরো নয়া দুটি প্রকল্প চালু করলেন



রাজ্য মুখ্যমন্ত্রী  শুরু করলেন আরও দুটি নয়া প্রকল্প ,আলিপুরদুয়ার থেকে সরাসরি বৃহস্পতিবার ঘোষণা করলেন। মুখ্যমন্ত্রী তিনি প্রথমে কেন্দ্রকে নিশানা করলেন তিনি বললেন যে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য বিভিন্ন প্রকল্পগুলি বন্ধ করে দিয়েছে ১০০ দিনের টাকা আবাসের টাকা আপনারা জানেন যে লক্ষী ভান্ডারের টাকা বহু মহিলারা তাদের কে দেয়া হয়ে থাকে এবং অনেকে উপকৃত হয়েছে এবং হচ্ছে  তা সত্ত্বেও আমি রাজ্যের টাকে খুব কষ্ট করে চালিয়ে যাচ্ছি ।জনসাধারণ এমনকি তারা রাজ্য পাওনা টাকা তারা নিয়ে চলে যাচ্ছে, বারবার বলা সত্য সেটা কিন্তু আমরা আর পারছি না বা দিচ্ছে না, আমি কারো কাছে ভিক্ষা চাইতে যাব না। আমি আজ আরও দুটি প্রকল্প চালু করলাম তিনি আলিপুর দুয়ারে এক সভা থেকে তিনি বললেন যতটা পারবো না ততটা পারবো না ,কিন্তু চেষ্টা ত্রুটি থাকবে না। কিন্তু মানসিকতা তো থাকতে হবে এই যে ওবিসিদে টাকা বন্ধ করে দিয়েছে কেন্দ্র আপনারা জানেন যে এস সি এস টি রা স্কলারশিপ একটা পেয়ে থাকে কিন্তু ওবিসি দের থেকে বঞ্চিত করা হয় তা তাদের কথায় একটা চিন্তাভাবনা করে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি তারাও যাতে বঞ্চিত না হয় তা আমরা ব্যবস্থা করেছি। আমরা বলছি ৮০০ টাকা করে দেব নাম দিয়েছি মেধাশ্রী যা ওবিসিদের নাম দেওয়া উচিত "মেধাশ্রী" দিয়েছি টাকা যেহেতু আমরা দেব এছাড়া তিনি আরো উল্লেখ করলেন যে চা শ্রমিকদের জন্য এক বিশেষ প্রকল্প আমি এনেছি যা চা শ্রমিকদের তাদের অভাব অভিযোগের কথা মাথায় রেখে আর একটা প্রকল্প আমি চালু করলাম চা সুন্দরী তারা থাকার জন্য একটা বাসস্থান বাড়ি পাবে।


এবার বাড়ি বাড়ি হবে সার্ভে যুক্ত থাকবে ৩ লাখ ৫০ হাজার ভলেন্টিয়ার

 এবার বাড়ি বাড়ি হবে সার্ভে

যুক্ত থাকবে ৩ লাখ ৫০ হাজার ভলেন্টিয়ার





আপনারা জানেন যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন প্রকল্প তিনি চালু করেছেন। এছাড়া যে সমস্ত প্রকল্প গুলো তিনি চালু করেছেন সেই সমস্ত প্রকল্প গুলো অনেক মানুষ উপকৃত হয়েছে। তাই তিনি আরো নতুন কিছু উদ্যোগ তিনি নিতে চলেছেন। যাতে কোন মানুষ এই প্রকল্পগুলো থেকে কোনরকম বাদ না যায়। তাই তিনি এমন একটা সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন যেটাতে পশ্চিমবঙ্গে 10 কোটি মানুষের উপকারে আসে তিনি যে সমস্ত প্রকল্পগুলো এক ছাতার তলায় মধ্যে রাখবেন সেগুলোর মধ্যে রয়েছে লক্ষী ভান্ডার, সবুজ সাথী, কন্যাশ্রী ,রূপশ্রী ,যুবশ্রী ,বিধবা, ভাতা কৃষক বন্ধু, আরো অনেক রকম প্রকল্প রয়েছে। তার সমস্ত প্রকল্প গুলোকে তার এক ছাতায় তোলা এনে এক  আপ চালু করেছেন যার নাম "দিদির দূত" এই অ্যাপের মাধ্যমে আপনারা রাজ্য সরকারের সমস্ত প্রকল্প গুলো পেয়ে যাবেন। এমনকি আপনাদের যদি কোন প্রকল্পের আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী না পেয়ে থাকেন তাহলে আপনার এই অ্যাপের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন । তার জন্য ৩ লাখ ৫০ হাজার যে ভলেন্টিয়ার যুক্ত করা হয়েছে, সেই ভলেন্টিয়াররা আপনার বাড়ি বাড়ি যাবেন এবং আপনার সামনে রাজ্য সরকারের এই সমস্ত প্রকল্প গুলো তুলে ধরবেন। যদি আপনি কোন প্রকল্পের মধ্যে বাদ পড়ে থাকেন তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রকল্পটি তারা আবেদন করে দিবেন এমনকি আপনার যদি কোন প্রশ্ন করা থাকে তাহলে সরাসরি তাদের সামনে আপনারা জানাতে পারবেন এমনই এক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে রাজ্য সরকার তরফ থেকে এমনকি বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে তারা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন মানুষের অভাব অভিযোগ শোনার জন্য এবং তাদের দুঃখ দুর্দশা দূর করার জন্য।

শর্ত না মানলে আবাসের টাকা পাবেন না

 



 

পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের বিপাকে ফেলার ছক!

শর্ত মানলেও আবাসে ৮ হাজার

কোটি দিতে টালবাহানা কেন্দ্রের


 কলকাতা: ১০০ দিনের কাজের পর এবার আবাস প্লাস! কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বরাদ্দ নিয়ে ফের টালবাহানা মোদি সরকারের। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে সুকৌশলে বাংলাকে ‘ভাতে মারতে’ ছক কষা হচ্ছে বলে উঠছে অভিযোগ। আবাস প্লাস নিয়ে প্রথমে একগুচ্ছ কড়া শর্ত চাপিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু বাংলাকে বেকায়দায় ফেলা যায়নি। নির্দিষ্ট মধ্যেই যাবতীয় শর্ত পূরণ করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। বাড়ি তৈরির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে ১১ লক্ষ উপভোক্তাকে। কোনও প্রশ্ন পর্যন্ত তোলেনি মোদি সরকার। তা সত্ত্বেও পাঠানো হচ্ছে না কেন্দ্রের ভাগের বরাদ্দ ৮ হাজার কোটি টাকা। অন্তত এক সপ্তাহ আগে তা চলে আসার কথা ছিল। কিন্তু এক্ষেত্রে নিজেদের বেঁধে দেওয়া শর্ত ভেঙেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন? কোনও জবাব মেলেনি। এদিকে হাতে আর মাত্র আড়াই মাস সময়। অর্থবর্ষ শেষের আগেই শেষ করতে হবে এই বিপুল সংখ্যক বাড়ি নির্মাণের কাজ। ফলে গ্রামবাংলায় তৈরি হয়েছে অভূতপূর্ব সঙ্কট। 



গত বছর ২৪ নভেম্বর, প্রায় আট মাস দেরিতে বাংলাকে মোট ১১ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৮৮টি বাড়ি নির্মাণে টার্গেট দেয় কেন্দ্র। একইসঙ্গে বেঁধে দেওয়া হয় ছ’দফা শর্ত। তার মধ্যে অন্যতম—ট্রেজারি থেকে অর্থ অনুমোদনের এক সপ্তাহের মধ্যে সরাসরি প্রত্যেক উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা পাঠাতে হবে রাজ্যকে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাড়ি তৈরির অনুমোদন দেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর। তারপর প্রায় দু’সপ্তাহ কাটতে চলেছে। রাজ্যের ভাগের ৪,৮০০ কোটি টাকা তৈরি রেখেছে অর্থদপ্তর। কিন্তু কেন্দ্রের ভাগের ৬০ শতাংশের (৮,২০০ কোটি) এক নয়া পয়সাও ছাড়া হয়নি। পুরনো আবাস যোজনার এক হাজার কোটি টাকা হাতে রয়েছে রাজ্যের। কিন্তু কেন্দ্র সেই পোর্টাল ‘ব্লক’ করে রাখায় ওই অর্থ ব্যবহার করে কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। ফলে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে ১১ লক্ষ বাড়ি তৈরি কাজ শেষ করা নিয়েই সংশয়ে বিভিন্ন মহল। 

রাজ্য সরকারের এক কর্তা জানান, কেন্দ্র নিজের ভাগের টাকা ছাড়ার পরেই একমাত্র একাজ সম্ভব। নচেৎ যাচাইপর্ব চালিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ৯৫ শতাংশ উপভোক্তার নাম চূড়ান্ত তালিকায় তোলাই সার হবে। আবাস প্লাস প্রকল্পের বাড়ি তৈরি করা যাবে না। বিষয়টি উল্লেখ করে ইতিমধ্যে গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রককে চিঠি পাঠিয়েছে নবান্ন। কোনও উত্তর আসেনি। এপ্রসঙ্গে রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ‘এ তো সুকৌশলে রাজ্যকে বেকায়দায় ফেলার ফন্দি মনে হচ্ছে। এমন হলে রাজ্যও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’ চলতি মাসের শুরুতে আবাস প্লাসের তালিকা যাচাইয়ের কাজ খতিয়ে দেখতে মালদা ও মুর্শিদাবাদে এসেছিল কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। তাদের রিপোর্টের অজুহাত দেখিয়েই কি আটকে রাখা হয়েছে টাকা? এই প্রশ্ন এখন ঘোরাফেরা করছে প্রশাসনিক মহলে।

একজন উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা যায় তিন কিস্তিতে। সেই নিয়ম ব্যাখ্যা করে এক আধিকারিক জানিয়েছেন, রাজ্যে আবাস প্রকল্পের জন্য একটি নোডাল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আছে। সেখানেই কেন্দ্র এবং রাজ্যের অংশের টাকা জমা পড়ে। রাজ্যের অর্থদপ্তর এই নোডাল আকাউন্টে নিজের ‘ম্যাচিং ফান্ড’ পাঠানোর জন্য ফাইল তৈরি রেখেছে। কেন্দ্র টাকা ছাড়লেই তা পাঠানো হবে।

এই মুহূতে বড়ো খবর লক্ষ্মী ভান্ডার গ্রাম বাংলা মহিলাদের।

 এই মুহূতে বড়ো খবর । এবারে দুয়ারে মিলবে বিশেষ সুবিধা



এই মহুর্তে গ্রাম বাংলার মহিলাদের জন্য বড়ো খবর । আধার-স্বাস্থ্য সাথী কার্ড ছাড়াই লক্ষ্মী ভান্ডার দেবে সব মহিলাদের।




গত ১ নভেম্বর থেকে রাজ্য জুড়ে দুয়ারে সরকার শিবির শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। এই শিবিরে অনেক মহিলারই আসছেন যাঁদের আধারকার্ড বা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেই। সে কারণে তাঁদের আবেদন নেওয়া হচ্ছিল না বলে অভিযোগ।

নবান্নে অভিযোগ আসছিল আধারকার্ড বা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড না থাকার জন্য ফিরে যেতে হচ্ছিল লক্ষীর ভাণ্ডারে আবেদন করতে আসা মহিলাদের। এ বার তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। দুয়ারে সরকারে এই ধরনের কোনও আবেদন এলে তাঁদের আবেদনকে গ্রাহ্য করতে হবে বলে মুখ্যসচিব নির্দেশ দিয়েছেন।



গত ১ নভেম্বর থেকে রাজ্য জুড়ে দুয়ারে সরকার শিবির শুরু হয়েছে। চলবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত। এই শিবিরে অনেক মহিলারই আসছেন যাঁদের আধারকার্ড বা স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নেই। সে কারণে তাঁদের আবেদন নেওয়া হচ্ছিল না বলে অভিযোগ। এই অভিযোগের খবর আসে নবান্নেও। মুখ্যসচিব তৎক্ষনাৎ নির্দেশ দেন এর জন্য লক্ষীর ভাণ্ডারের আবেদন বাতিল করা যাবে না। নবান্ন সূত্রের খবর, মুখ্যসচিব বলেন, আধার নম্বর না থাকা কোনও সরকারি প্রকল্পের সুবিধা বাতিলের কারণ হতে পারে না। তাই জেলাশাসককে নির্দেশ দিয়ে মুখ্যসচিব বলেছেন, অবিলম্বে এই ধরনের সমস্ত আবেদন গ্রাহ্য করতে হবে।


আাগামী যে কদিন দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প চলবে ততদিন যেন এই ধরনের অভিযোগ না আসে তার জন্য জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব। এবার দুয়ারে সরকার ক্যাম্প থেকে মোট ২৭ ধরনের প্রকল্পের সুবিধা মিলবে। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত রাজ্য জুড়ে চলবে এই ক্যাম্প।



‘১০ লক্ষ চাকরি দেব’, রোজগার মেলায় ঘোষণা মোদীর,

 


‘১০ লক্ষ চাকরি দেব’, রোজগার মেলায় ঘোষণা মোদীর, 


বিলি করলেন ৭৫ হাজার নিয়োগপত্র

শনিবার ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে রোজগার মেলা কর্মসূচি থেকে ৭৫,০০০ জন নির্বাচিত প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্র


প্রতিশ্রুতি মেনে দীপাবলির আগেই চাকরি দেওয়ার ‘রোজগার মেলা’ কর্মসূচি শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে ৭৫,০০০ জন নির্বাচিত প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন তিনি। ওই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘কোভিড পরিস্থিতি এবং তার পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নানা সমস্যার জেরে অর্থনীতিতে আঘাত এসেছে। সেই আঘাত থেকে দেশের যুবসমাজকে রক্ষা করতেই এই উদ্যোগ।’’





শনিবার মোদী যাঁদের হাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের ৩৮টি মন্ত্রকের গ্রুপ এ এবং বি (গেজেটেড), গ্রুপ বি (নন-গেজেটেড) এবং গ্রুপ সি-র বিভিন্ন পদে যোগ দেবেন। অতিমারি এবং তাঁর পরবর্তী অনিশ্চতার কারণে বেশ কয়েকটি দেশে, উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং বেকারত্বের মতো সমস্যা দেখা দিয়েছে বলে শনিবার জানান প্রধানমন্ত্রী। গত এক শতাব্দী ধরে কর্মসং‌স্থানের সমস্যা রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘১০০ বছরের এই সমস্যার ১০০ দিনের মধ্যে সমাধান করা সম্ভব নয়।’’


যে পদগুলির জন্য নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর, কনস্টেবল, এলডিসি, স্টেনোগ্রাফার, পিএ, আয়কর ইন্সপেক্টর, এমটিএস এবং অন্যান্য। এই পদগুলিতে সংশ্লিষ্ট দফতর বা মন্ত্রকগুলির দ্বারা অথবা ইউপিএসসি, এসএসসি ও রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের দ্বারা নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। প্রধানমন্ত্রী শনিবার জানান, কোভিড পর্বে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের (এমএসএমই) সহায়তায় ৩ লক্ষ কোটি টাকা খরচ করেছে কেন্দ্র। ওই ক্ষেত্রে কর্মরত অন্তত দেড় কোটি মানুষ তাতে উপকৃত হয়েছেন।


জুন মাসে কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছিল, ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনের আগে দেড় বছরের মধ্যে ১০ লক্ষ নিয়োগ করার লক্ষ্য নিয়েছেন মোদী। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করতেই এই ‘রোজগার মেলা’র উদ্যোগ। কিন্তু হিমাচল প্রদেশে ভোট ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। এখনও ঘোষণা না হলেও চলতি বছরে মোদী রাজ্য গুজরাতেও বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা। প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় এলে বছরে ২ কোটি চাকরির বন্দোবস্ত করবেন বলে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদী। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি বলে কর্মসংস্থান নিয়ে মোদী সরকারকে একাধিক বার নিশানা করেছে কংগ্রেস, তৃণমূল, বাম-সহ বিরোধী শিবির। শনিবার কংগ্রেসের তরফে রোজগার মেলাকে ‘ভোটের আগে নাটক’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

লক্ষী ভান্ডার বড় udate

 পশ্চিমবঙ্গ সরকার পরিবারের মহিলা প্রধানকে আর্থিক সহায়তা ব্যবস্থা প্রদানের জন্য একটি নতুন প্রকল্প চালু করেছে। এই কল্যাণমূলক প্রকল্পটি "পশ্চিমবঙ্গ লক্ষ্মী ভান্ডার স্কিম 2022" বা লক্ষ্মী ভাণ্ডার যোজনা নামে পরিচিত। এই প্রকল্পে, সেই সমস্ত মহিলা পরিবারকে আয় সহায়তা প্রদান করা হবে যাদের জীবিকা নির্বাহের জন্য আয়ের কোনো উৎস নেই। আজ, আমরা এই নিবন্ধটির মাধ্যমে আপনার সাথে এই সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য, স্কিম যেমন মানদণ্ড, সুবিধা এবং সমস্ত কিছু শেয়ার করতে চাই।





সাধারণ জাতি বিভাগের পরিবারগুলিকে তাদের আয় সহায়তার জন্য প্রতি মাসে প্রায় 500 টাকা দেওয়া হয়ে থাকে তারা এবারে পেতে চলেছে 750 টাকা অথাৎ 250 টাকা বাড়ানো হলো। এবং SC এবং ST বর্ণ বিভাগের মহিলা প্রধানদের তাদের ব্যক্তিগত আয় সহায়তার জন্য প্রতি মাসে প্রায় 1000 টাকা দেওয়া হয়ে থাকে তারা পাবেন এবার থেকে 1250 টাকা অথাৎ 250 টাকা বাড়ানো হলো।


একটি পরিবারের খরচের জন্য মাসিক গড় খরচ হল । 5249. পশ্চিমবঙ্গ সরকার বার্ষিক খরচ বহন করবে Rs. এই প্রকল্পের জন্য 11,000 কোটি টাকা।


এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রদত্ত আর্থিক সহায়তার সাহায্যে, পরিবারের মাসিক ব্যয়ের 10% থেকে 20% কভার করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় যে পরিমাণ অর্থ প্রদান করা হয় তা সরাসরি পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে।


পশ্চিমবঙ্গ লক্ষ্মী ভান্ডার স্কিম 2022-এর জন্য যোগ্যতার মানদণ্ড


সাধারণ শ্রেণীর জন্য যাদের 2 হেক্টরের বেশি জমি রয়েছে তারা এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারবেন না।


আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের নাগরিক হতে হবে।


করদাতা পরিবার লক্ষ্মী ভান্ডার স্কিম পশ্চিমবঙ্গের জন্য আবেদন করার যোগ্য নয়।


SC/ST ক্যাটাগরির সমস্ত পরিবার এর জন্য নিবন্ধন করতে পারে।

ভারত সরকার নতুন আইন

 ভারত সরকার নতুন আইন


বহুদিন ধরেই নয়া শ্রম আইন বা লেবার কোড নিয়ে জল্পনা চলছে। এই লেবার কোডের শুধু একটি নয় একাধিক নতুনত্ব বিষয় রয়েছে, যা আখেরে লাভ দেবে সাধারণ কর্মীদেরকে। সংসদে বাদল অধিবেশন চলাকালীন কেন্দ্রীয় শ্রম প্রতিমন্ত্রী রামেশ্বর তেলি এই নয়া লেবার কোডের প্রসঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন। গত ১লা জুলাই থেকে গোটা দেশে এই লেবার কোড চালুর পরিকল্পনা করেছিল কেন্দ্র। কিন্তু একাধিক বিভ্রান্তির জেরে তা আর হয়ে ওঠেনি। এই নয়া শ্রম আইন কবে থেকে চালু হবে, তার জন্য সকলেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।


কেন্দ্রীয় শ্রম প্রতিমন্ত্রী রামেশ্বর তেলি জানিয়েছেন, কবে থেকে এই নয়া শ্রম আইন দেশজুড়ে লাগু করা হবে সে বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে যত দ্রুত সম্ভব এই শ্রম কোড লাগু করার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। এখনও কয়েকটি রাজ্য শ্রম কোড লাগু করা নিয়ে নিজেদের মতামত জানায়নি। সেগুলি পাওয়া গেলেই নয়া শ্রম আইন দ্রুত কার্যকর করা হবে। 


শ্রম মন্ত্রকের একটি সূত্রে দাবি, ২০২২ সালের ১লা অক্টোবর থেকেই ধাপে ধাপে এই শ্রম আইনের বিভিন্ন কোডগুলি চালু করার কথা ভাবছে কেন্দ্র।



নয়া লেবার কোডে কী কী রয়েছে?


নয়া লেবার কোডের সুবিধা ও অসুবিধা দুইই রয়েছে। নতুন নিয়মে কর্মীরা সপ্তাহে তিন দিন ছুটি নিতে পারবে। তবে ৩ দিন ছুটি থাকলেও সাপ্তাহিক কাজের সময়ে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা কাজ করতে হবে কর্মীদের। কোনও কর্মী প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা করে সপ্তাহে চারদিন কাজ করে তিন দিন ছুটি নিতে পারেন। পাশাপাশি তিন মাসে ওভার টাইম ৫০ ঘণ্টা থেকে বৃদ্ধি করে ১২৫ ঘণ্টা করা হয়েছে।


এছাড়া পরিবর্তন এসেছে বেতনের গঠনেও। জানানো হয়েছে কর্মীর Basic Salary হবে মোট বেতনের ৫০ শতাংশ। এর অর্থ হল কর্মীর EPF-অবদানের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। উলটো দিকে Take Home Salary-র পরিমাণ কমবে।